
প্রিয় ফুল
র্যানানকুলাস
র্যানানকুলাস আমার সবচেয়ে প্রিয় ফুল। আজ আমি যে পথে কাজ করি, তার শুরু এখানেই।
র্যানানকুলাস খুব অল্প সময়ের জন্যই ফোটে। হয়তো সে কারণেই তার সঙ্গে প্রতিটি সাক্ষাৎ এত মূল্যবান মনে হয়।
তার জটিল সৌন্দর্য আজও আমাকে বিস্মিত করে। শত শত সূক্ষ্ম পাপড়ি এক নিখুঁত রূপে জড়ো হয়ে ধীরে ধীরে খোলে, যেন ফুলটি ভেতরে ছোট্ট এক রহস্য লুকিয়ে রেখেছে।
র্যানানকুলাস গড়া আমার কাছে সবচেয়ে ধ্যানমগ্ন প্রক্রিয়া। প্রতিটি ফুল একটু আলাদা হয়ে ওঠে — পাপড়ির নিজস্ব বিন্যাস, নিজস্ব চরিত্র, নিজস্ব মেজাজ। কোনোটি জমকালোভাবে খোলে, কোনোটি সুন্দর ধাপে ধাপে সাজে, কোনোটি থাকে আরও মুদ্রিত। কখনো সদ্য ফোটা কুঁড়ি, কখনো পূর্ণ প্রস্ফুটিত ফুল।
সম্ভবত এই স্বকীয়তাই র্যানানকুলাসকে আমার কাছে এত বিশেষ করে তোলে।


আমার প্রিয় রঙের মিশেল
আমার প্রিয় রূপটি শুরু হয় ফুলের একেবারে কেন্দ্রে প্রায় অদৃশ্য এক সবুজাভ আভা দিয়ে। তারপর তা কোমলভাবে দুধসাদায় গড়িয়ে বাইরের পাপড়িতে স্নিগ্ধ গোলাপিতে ফোটে। আমার কাছে এটি প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর রঙমিলগুলোর একটি।
“এমন র্যানানকুলাস দেখলেই মুগ্ধতায় আমার হৃদয় কেঁপে ওঠে।”